গ্রীণসিটিতে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাৎ কারী হিরকের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন,
রাজীব পাটোয়ারী পিতা আবুল কালাম, সাং শৈল্যপাড়া, মোঃ হাফিজ পিতা আকাস প্রামাণিক সাং পূর্বটেংরী গোরস্থান পাড়া,শাহিন হোসেন পিতা আবুল কালাম শৈলাপাড়া,আবু হানিফ অফ পিতা আব্দুল আজিজ মামুন, শেরশাহ রোড, মোঃ মহারাজ, পিতা মৃত নুরু মিয়া আম বাগান সহ মোট ৪১ জনের কাছ থেকে সর্বমোট ১৭,৫৬,০০০/= ঈদ উপ ছলিমপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের রবি বিশ্বাস ও কৃষক নূরুন্নাহারের ছেলে রায়হান কবির হিরক।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের অধিনে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের গ্রীণ সিটিতে মাস্টার রুপে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে রায়হান কবির হিরক প্রায় ৮ মাস পূর্বে সবার কাছ থেকে প্রথমে নিভির সাথে ২০ হাজার টাকা করে নেয়। তার পর আমাদের সবার মেডিক্যাল করিয়ে বলে চাকুরি অল্পদিনেই হবে বলে আবার আমাদের কাছ থেকে আরও ২০ হাজার টাকা করে নেয়। আর কাদেরুজ্জামানের কাছ থেকে নেয় ৫০ হাজার টাকা। তার ১ মাস পর আমরা চাকুরির জন্য চাপ দিলে হিরক বলে ঢাকা মন্ত্রণালয়ে যেতে হবে সচিব স্যার আমাদের নিযোগ পত্র দিবে। আমাদের ১১ জনকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ে নিয়ে যায় হিরক তবে, আমাদের কাউকে মন্ত্রণালয়ের ভিতরে নিয়ে না গিয়ে বাহিরে রেখে যায়। ১ ঘন্টা পরে মন্ত্রণালয় থেকে বের হয়ে হিরক বলে স্যার ব্যস্ত আছে আমাদের নিয়োগপত্র পাঠিয়ে দিবে। তার পর বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করে আমরা বুঝতে পারি আমরা প্রতারকের পাল্লায় পড়ে গেছি। তখন আমরা হিরককে জানায়, আপনি আমাদের চাকুরি দিতে না পারলে টাকা তে দেন। তার পর ৬ মাস বহুবার সময় নিয়েও আমাদের টাকা ফেরত দিচ্ছেনা। টাকা চাইতে গেলে প্রথম প্রথম ভ করে ঘুরায় আর এখন টাকা চাইতে গেলে হিরক হিরকের মা নূরুন্নাহার চরম খারাপ ব্যবহার করে এবং নানা প্রকার হুমকি দিচ্ছে। টাকা না দিলে আইনি ব্যবস্থা ও সংবাদ সম্মেলনের কথা বল্লে হিরকের মা নূরুন্নাহার বলে কিছু করতে পারব না কৃষিতে পদক প্রাপ্ত নেত্রী প্রশাসনে আমার লোক আছে। আর সাংবাদিক সম্মেলন করলে লাভ নদের বিরুদ্ধে কিছুই লিখবে না। কিছুদিন পর হিরক রূপপুরের তরিকুল নামের একজনকে দেখি বলে ওর কাছে টাকা দিয়েছি করে তোমাদের দিবো। সেখানে আমাদের নিয়ে গেলে তরিকূল বল আমাকে সামান্য কিছু টাকা দিয়েছিল মেডিক্যাল করার জন্য, সব টাকা হিরকের কাছেই আছে। তারপর হিরক বলে তরিকুলকে এনে স্ট্যান্স ও স্বাক্ষরিত চেক নিয়েছি টাকা আদা হবে। পরে হিরোক বলে তরিকুলের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছি টাকা আদায় করে দিবো।কিন্তু চেক হিরোক নিজের নামে না নিয়ে নেয় তুষার নামের একজনের নামে এবং হিরোক বাদি না হয়ে বাদি করে তুষারকে। মামলার কিছুদিন পর মামলার বাদি তুষার মারা যায়। শ্রদ্ধাভাজন সাংবাদিক ভাইয়েরা আমরা আমাদের সমস্যার কথা তুলে ধরলাম। আমরা স্বপ্ন আয়ের মানুষ। ধারদেনা করে টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়ে খুবই খারাপ অবস্হার মধ্যে আছি। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনারা জাতির বিবেক। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ আমাদের সমস্যার বিষয়টি আপনারা লিখনির মাধ্যমে সংবাদপত্রে তুলে ধরলে আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো।