মামুনুর রহমান, ঈশ্বরদী পাবনাঃ ঈশ্বরদীতে মেসার্স শাহানুর হার্ডওয়ার স্টোর অথারাইজ ডিলার গ্রামীণ ফোন লিমিটেড এ টাকা পাওনা থাকা সত্বেও ষড়যন্ত্র অন্যের ঘাড়ে চাপানোর জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের ও হয়রানীর প্রতিবাদে ও সুষ্ঠ বিচার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী অভিযোগকারী সাবেক ম্যানেজার ও মধ্য অরনখোলার আব্দুল আজিজের ছেলে মেহেদী হাসান এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেহেদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, ২০১৯ সালে গ্রামীন ফোনের অথারাইজহ ডিলার এর ম্যানেজার পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় আমাকেসহ আরও কয়েকজনকে ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন দেওয়া হবে বলে মিউচুয়্যাল ট্রাস্ট ব্যাংক ঈশ্বরদী এসএমই কৃষি শাখায় এ্যাকাউন্ট খুলতে বলেন। এবং আমাদের সবার চাকুরীর সিকিউরিটি বাবদ ব্ল্যাঙ্ক চেক জমা নেওয়া হয়। কিছুদিন পরে বিষয়টি গ্রামীনফোন লিঃ দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের জানানো হলে গ্রামীনফোনের দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার আমাদেরকে যেখানে উল্লেখ করা হয় জমির দলিল, মুল সার্টিফিকেট, ব্ল্যাঙ্ক চেক রাখা যাবে না। তার কিছুদিন পর আমাদের সঙ্গে মালিকপক্ষের চেক নিয়ে ঝামেলা বাধে। হঠাৎ গত ০১/১২/২০২২ ইং তারিখে লগ ইনচার্জ কুসুম শেখ অফিসে না আসায় আমি এবং আমার ০২ (দুই) জন সুপারভাইজার মালিক রাবেয়া ইসলাম কাজনশন্যাজনমন্য আমার জভিজিডে করিলে তাহারা আমাদেরকে জানায় কুসুম শেখ আমাদের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে গেছে। ০৩ (তিন) দিন পার হলেও কুসুম শেখের সাথে যোগাযোগ করতে পারি নাই। ১১/১২/২০২২ ইং তারিখে মিসেস রাবেয়া ইসলাম তাহার কন্যা সুমাইয়া নাজনুর এর স্বামী মাহফুজুর রহমান মিসেস রাবেয়া ইসলাম গং আমাকে দিয়ে ভোল্ট খোলার ভিডিও ধারন করেন। তারা আমাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে একটি মামলার সাক্ষি হওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি সাক্ষি দিতে নারাজ হওয়ায় আমাকে মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে সাক্ষি দিতে বাধ্য করেন। এসব ঘটনার পর আমি পাবনা কোর্টে মামলা করি (মামলা নং পিটিশন-৮৯৪/২০২২ ঈশ্বরদী) ও মামলা নং পিটিশন-৫৯৪/২০২৩ ঈশ্বরদী। গত ০৫/০৭/২০২৩ ইং তারিখে আমাকে তাদের পক্ষ থেকে whats app হুমিক দিয়ে বলেন তোমার চেক তোমাকে ফেরত দিবো না। পরে উক্ত চেকে ১৫,৩২,৭৮০/- (পনের লক্ষ বত্রিশ হাজার সাতশত আশি) টাকা এ্যামাউন্ট বসিয়ে ডিজঅনার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে চাকুরী ছাড়ার ৯ মাস পর। সম্মেলনে সমস্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন ভুক্ত ভোগী মেহেদী হাসান।