ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও জিএস হাজী আসাদুর রহমান বীরুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক শহিদুল হাসান ববি সরদার, লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হক মোল্লা, পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ আক্তার পান্না, সিনিয়র সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী সালাউদ্দীন আহমেদ, সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশিদ, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মফিকুল ইসলাম মুকুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মাসুদ রানা, উপজেলা যুবলীগ নেতা মিলন চৌধুরী, রেল শ্রমিকলীগ নেতা সাঈদ ইকবাল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নিশাত জামান অমি, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক শেখ ওয়াহেদ আলী সিন্টু, সাপ্তাহিক সময়ের ইতিহাস পত্রিকার সম্পাদক শেখ মহসিন, সাপ্তাহিক প্রথম সকাল পত্রিকার সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, সাপ্তাহিক পদ্মার খবর পত্রিকার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম রিংকু, ঈশ্বরদী অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি রিফাজ বিশ্বাস লালন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ফেরদৌস, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজ,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ঈশ্বরদী সাংগঠনিক জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম নিক্কন, বিজয় টিভি'র ঈশ্বরদী প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম সবুজ,এশিয়ান টিভি'র ঈশ্বরদী প্রতিনিধি মোঃ রাসেল, সাংবাদিক মামুনুর রহমান মামুন,সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ বাবু, সাংবাদিক মিঠুন প্রমূখ।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ঈশ্বরদী একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংসন স্টেশন। এতদিন আন্তঃনগর সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন খুলনা থেকে ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে ঢাকা চলাচল করতো। একইভাবে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন যশোরের বেনাপোল থেকে ঈশ্বরদী হয়ে ঢাকা চলাচল করতো। ঈশ্বরদী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকশ মানুষ এ ট্রেনে চলাচল করতো।
এ দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের রুট পরিবর্তন করে পদ্মা সেতু হয়ে চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। ফলে ঈশ্বরদীসহ উত্তরাঞ্চলের মানুষ ওই দুই ট্রেনে চলাচল করতে পারবে না। আগেই ঈশ্বরদী থেকে বিকল্প ট্রেনের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। দুটি ট্রেনের রুট পরিবর্তনের ঘোষণা বাতিল করে ঈশ্বরদী হয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। তা নাহলে ঈশ্বরদী থেকে ঢাকাগামী নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় ঈশ্বরদীবাসী দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। আন্তঃনগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন রুট পরিবর্তন প্রসঙ্গে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার শাহ সূফি নূর মোহাম্মদ বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে এই দুটি ট্রেন পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করবে। ফলে ঈশ্বরদী রুটের অন্য স্টেশনে এ ট্রেন চলাচলের সুযোগ নেই। দুই ট্রেনের পরিবর্তে ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে ধুমকেতু ট্রেন থামানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া হয়েছে। মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন রাজশাহী থেকে ঢাকা যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটিও ঈশ্বরদীতে যাত্রাবিরতি দেবে। পাবনা থেকে একটি ট্রেন ঢাকা চলাচলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। এটিও ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে চলাচল করবে। ফলে সুন্দরবন ও বেনাপোলের পরিবর্তে ঈশ্বরদী থেকে চলাচলকারীরা অন্য ট্রেনে চলাচলের সুবিধা থাকছে।