এলাকাবাসী জানায়, সোমবার গভীর রাতে দুর্ধর্ষ সংঘবদ্ধ চোরের দল উপজেলার পোটান গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে মো. হানিফ মিয়ার গোয়াল ঘরে প্রবেশ করে গরু নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী শব্দ পেয়ে জেগে উঠে। দ্রুত ঘোয়াল ঘরে গিয়ে ৪টি গরুর মধ্যো হতে মাত্র ১টি গরু দাড়িয়ে থাকতে দেখে। বাকী ৩টি গরু গোয়াল ঘরে না পেয়ে ছুটা ছুটি করতে থাকে। এ সময় তিনি লক্ষ্য করলেন ৪/৫ জন লোক ঘোয়ালের ভিতর থেকে অবশিষ্ট গরুটিও বের করে সামনে রাখা একটি পিকআপ ভ্যানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে তিনি উচ্চ শব্দে ডাক চিৎকার করলে স্থাণীয়রা এগিয়ে আসে। চোরের দল জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে স্থাণীয় পোটান টেকপাড়া জামে মসজিদের পিছনে রাখা কভার ভ্যান নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ীতে উঠতে না পেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে পোটান দক্ষিন পাড়া থেকে দুই চোরকে আটক করে। আটককৃতরা হলো জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ থানার বাহাদুরাবাদ গ্রামের মো. আব্বাস এর ছেলে মো. আলম (২৮) ও ভোলা জেলার তজিমুদ্দিন থানার উত্তর চাছড়া গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে মো. ইউসুফ (২৯)। স্থাণীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মো. আলম রাজধানী ঢাকার সায়দাবাদ মানিকনগর এলাকায় খালা সালমার বাড়ী ও মো. ইউসুফ মিয়া মিরপুর সিরামিক্র গেট বস্তি এলাকার শহিদের বাড়ীতে ভাড়া থেকে বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নোয়াখালী জেলার সেলিম(৩৫) ও চট্রগ্রাম জেলার মইন উদ্দিন (২৮) এ ঘটনায় জড়িত বলে স্বীকার করেন। সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহতাব উদ্দিন বলেন, দুই গরু চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের দেয়া তথ্য মতে, পুলিশের একাধিক টিম পালিয়ে যাওয়া কভারভ্যান ও বাকী আসামীদের গ্রেফতার কারার জন্য বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে।